1. masudkhan89@yahoo.com : admin :
  2. mahabub.mk1@gmail.com : Mahbub Khan Akash : Mahbub Khan Akash
  3. kdalim142@gmail.com : ডালিম খান : ডালিম খান
শনিবার, ২২ জানুয়ারী ২০২২, ০৩:১২ অপরাহ্ন

যাত্রী পারাপারে নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ বাড়ল বেনাপোল স্থলবন্দরে

সাংবাদিকের নাম
  • আপডেট সময় : শনিবার, ২২ মে, ২০২১
  • ৮০ দেখেছেন

 

প্রতিবেশী দেশ ভারতে করোনা পরিস্থিতি অবনতি হওয়ায় সংক্রমণ রোধে দুই দেশের মধ্যে পাসপোর্ট যাত্রী যাতায়াত বন্ধে আবারও তৃতীয় ধাপে আটদিন সীমান্ত পথে ইমিগ্রেশন কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ সরকার। ২৩ মে থেকে ৩১ মে পর্যন্ত নতুন এই নিষেধাজ্ঞায় যাত্রী যাতায়াত বন্ধ থাকছে।

এর আগে প্রথম ধাপে গত ২৬ এপ্রিল থেকে ০৯ মে ১৪ দিন। পরবর্তীতে দ্বিতীয় ধাপে ০৯ মে থেকে ২৩ মে এবং তৃতীয় ধাপে ২৩ মে থেকে ৩১ মে পর্যন্ত নিষেধাজ্ঞা জারি হয়। তবে নিষেধাজ্ঞার আগে যারা ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে অবস্থান করছিল সে সব দেশ, বিদেশি যাত্রীরা দূতাবাসের ছাড়পত্র নিয়ে ফিরতে পারবেন বলে জানিয়েছে ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষ।
এদিকে ভারতের উত্তর ২৪ পরগনা জেলায় করোনায় মৃত্যুহার বেড়ে যাওয়ায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ভারত সরকার ১৫ মে থেকে ৩০ মে পর্যন্ত ১৫ দিনের লকডাউন ঘোষণা করেছে। এতে নানা প্রতিবন্ধকতায় বেনাপোল ও পেট্রাপোল বন্দর দিয়ে দুই দেশের মধ্যে আমদানি ও রফতানি বাণিজ্যে মারাত্মক বিরূপ প্রভাব পড়েছে।

বেনাপোল সিঅ্যান্ডএফ অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মফিজুর রহমান সজন বলেন, আমদানি, রফতানি বাণিজ্যের ক্ষেত্রে ব্যবসায়ীদের ভারত-বাংলাদেশের যাতায়াত করতে হয়। কিন্তু কোভিডের কারণে ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা বন্ধ হয়েছে। ফলে যোগাযোগ ব্যবস্থাসহ নানা প্রতিবন্ধকতায় বাণিজ্য কমে আসছে।
ভারতের পেট্রাপোল বন্দরের সিঅ্যান্ডএফ স্টাফ অ্যাসোসিয়েশনের সেক্রেটারি কার্তিক চন্দ্র বলেন, ভারতের পশ্চিমবঙ্গে করোনা পরিস্থিতি আরও অবনতি হওয়ায় গত ১৫ মে থেকে ৩০ মে পর্যন্ত ১৫ দিনের লকডাউন চলছে। এতে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে শুরু করে ট্রেন,বাস অফিস বন্ধ রয়েছে। ফলে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টিতে পণ্য সরবরাহ কমায় আমদানি, রফতানি বাণিজ্য সমস্যা হচ্ছে।
বেনাপোল স্থলবন্দরের উপপরিচালক (ট্রাফিক) মামুন কবীর তরফদার জানান, ভারতের সঙ্গে ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা এবং দেশে চলমান লকডাউনের মধ্যে সরকারের নির্দেশনায় বন্দরে আমদানি, রফতানি সচল রয়েছে। তবে পরিমাণের দিক দিয়ে বাণিজ্য কমেছে।
বেনাপোল আমদানি, রফতানি সমিতির সহসভাপতি আমিনুল হক জানান, স্বাভাবিক সময়ে প্রতিদিন বেনাপোল বন্দর দিয়ে সাড়ে ৪শ’ ট্রাক বিভিন্ন ধরনের পণ্য ভারত থেকে আমদানি এবং বাংলাদেশ পণ্য প্রায় ১৫০ ট্রাক ভারতে রফতানি হতো। বর্তমান করোনা পরিস্থিতিতে বিধি নিষেধ জারিতে বাণিজ্যের পরিমাণ কমেছে। ১৯ মে ভারত থেকে আমদানি হয়েছে ৩৬৯ ট্রাক বিভিন্ন ধরনের পণ্য। রফতানির সংখ্যা ছিল ২৮ ট্রাক পণ্য। গত ২০ মে ভারত থেকে আমদানি হয়েছে ৩৬৫ ট্রাক বিভিন্ন ধরনের পণ্য। আর রফতানির সংখ্যা ছিল মাত্র ১৯ ট্রাক পণ্য। দিন দিন এ সংখ্যা কমে আসছে।
বেনাপোল ইমিগ্রেশন ওসি আহসান হাবিব জানান, নতুন করে ২৩ মে থেকে ৩১ মে পর্যন্ত ৮ দিন ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা জারি হয়েছে। তবে যাদের দূতাবাসের ছাড়পত্র থাকবে তাদের যাতায়াতে বাধা নেই। গতকাল ২১ মে ভারত থেকে ফিরেছেন ৮৭ জন বাংলাদেশি। ফেরত আসা যাত্রীদের যশোর জেলার বিভিন্ন আবাসিক হোটেলে ১৪ দিনের প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টাইনে রাখা হয়েছে।
জানা যায়, প্রতিবছর চিকিৎসা, ব্যবসা আর ভ্রমণের কাজে প্রতিবেশী দেশ ভারতে যায় ১৮ থেকে ২০ লাখের মতো যাত্রী। প্রতিদিনের যাত্রীর সংখ্যা ছিল ৮ হাজার থেকে ১০ হাজার পর্যন্ত। এসব যাত্রীদের মধ্যে অর্ধেক যায় চিকিৎসা সেবার জন্য। নিষেধাজ্ঞার কারণে তারা নতুন করে আর যাওয়ার সুযোগ পাচ্ছে না। দেশে চিকিৎসা সেবার মান বাড়াতে সরকারের প্রতি আহবান জানান ভুক্তভোগী যাত্রীরা

সামাজিক যোগাযোগ এ শেয়ার করুন

একই বিভাগের আরও সংবাদ
© এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি। সকল স্বত্ব মুক্ত সংবাদ কর্তৃক সংরক্ষিত
Developer By Zorex Zira