ব্রেকিং নিউজ ::
রায়পুরাতে এপেক্স ক্লাব অব ভৈরব নরসিংদীর উদ্যোগে ৫ টি ছাগল বিতরণ মাধবদী নুরালাপুর ইউ.পি নির্বাচনে নৌকা মনোনয়ন প্রত্যাশী চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো: জাকারিয়া জনমত জরিপে এগিয়ে রাতের আঁধারে কম্বলের ফেরিওয়ালা শিবপুরের শামীম গফুর নরসিংদী জেলা ছাত্রদলের নবগঠিত কমিটিকে শুভেচ্ছা জানিয়ে শিবপুরে আনন্দ মিছিল পুটিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সংবর্ধণা প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত জনপ্রিয়তা অর্জন করতে নয় জনগণের সেবা করতেই শামীম গফুরের ব্যতিক্রমী উদ্যোগ শিবপুর পৌরসভায় মানবিক কার্যক্রমে অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করে চলেছেন শামীম গফুর শিবপুরে মৎস্যজীবী লীগের পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত শিবপুরে বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস পালিত শিবপুরে গ্রামবাংলার ঐতিহ্যবাহী কাছিটান খেলা অনুষ্ঠিত
খুলনায় বিচারকের সই জাল করে কোটি টাকা আত্মসাৎ

খুলনায় বিচারকের সই জাল করে কোটি টাকা আত্মসাৎ

 

 

খুলনার চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক সুনন্দ বাগচীর সই জাল করে কোটি টাকা আত্মসাৎ করেছেন আদালতের দুই কর্মচারী। এ ঘটনায় সোমবার তাদের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) সমন্বিত জেলা কার্যালয় খুলনার উপ-পরিচালক মো. নাজমুল হাসান। অভিযুক্ত দু’জন হলেন- আদালতের জারিকারক এম এম নাহিদুল ইসলাম ও নাজমুল হাসান। তাদের আটক করেছে দুদক।

দুদক খুলনার উপ-পরিচালক মো. নাজমুল হাসান জানান, ২০১৯ সালের ১ সেপ্টেম্বর থেকে ২০২১ সালের ২৩ মার্চ পর্যন্ত এসব ভুয়া বিল জমা দিয়ে প্রায় ১ কোটি ২ লাখ ২৪ হাজার ৪০ টাকা আত্মসাৎ করা হয়। এ কাজে ওই দুই কর্মচারীর সঙ্গে হিসাবরক্ষণ কার্যালয় ও জনতা ব্যাংকের কিছু কর্মকর্তা জড়িত রয়েছে। প্রতিটি ক্ষেত্রে বিচারকের সই কম্পিউটারে স্ক্যান করে বিলে সংযোজন করা হয়েছে। মামলার পর বিষয়টি নিয়ে অধিকতর তদন্ত শুরু হয়েছে।

মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে, চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের জারিকারক এম এম নাহিদুল ইসলাম ও নাজমুল হাসান ভুয়া বিল ও ভাউচার তৈরি বিচারকের সই জাল করে খুলনা বিভাগীয় হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তার কার্যালয়ে জমা দিতেন। বিচারকের আনুষাঙ্গিক খাতে (কোড নং-৩২৫৫১০৫) বরাদ্দ না থাকার পরও বিভাগীয় হিসাবরক্ষণ অফিসের অসাধু কর্মকর্তা-কর্মচারীর সহযোগিতায় ২০১৯ সালের ১ সেপ্টেম্বর থেকে ২০২১ সালের ২৩ মার্চ পর্যন্ত এভাবে প্রায় ১ কোটি ২ লাখ ২৪ হাজার ৪০ টাকার বিল ছাড় করেন।

এতে আরও বলা হয়, ওই টাকা চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের নামে খোলা জনতা ব্যাংক লিমিটেডে খুলনার খানজাহান আলী রোড শাখায় জমা হয়। পরে আসামি নাহিদুল ইসলাম ও নাজমুল হাসান বিচারকের ভুয়া সই তৈরি করে টাকাগুলো তাদের ব্যক্তিগত হিসাবে স্থানান্তর করেন। এরপর আসামিরা ব্যক্তিগত ব্যাংক হিসাব থেকে চেকের মাধ্যমে অর্থ তুলে তা আত্মসাৎ করেন।

সামাজিক যোগাযোগ এ শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published.

© সকল স্বত্ব www.muktasangbad.com অনলাইন ভার্শন কর্তৃক সংরক্ষিত