ব্রেকিং নিউজ ::
মাদার তেরেসা পুরস্কারে ভূষিত হলেন শিবপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি খোরশেদ আলম শিবপুর পৌরসভার আগামী নির্বাচনে সম্ভাব্য মেয়র প্রার্থী শামীম গফুরের পরিচিতি সভা বঙ্গবন্ধুর মূর‍্যালে নবগঠিত শিবপুর উপজেলা জাতীয় শ্রমিক লীগের পুষ্পস্তবক অর্পণ শিবপুরে আওয়ামীলীগের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া অনুষ্ঠিত শিবপুর প্রেসক্লাবে নরসিংদী চেম্বারের কম্পিউটার প্রদান শিবপুরে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ আলাউদ্দিন ভূঁইয়ার দাফন সম্পন্ন শিবপুরে ভূমি অধিগ্রহণে ন্যায্য মূল্য না পাওয়ায় হাইকোর্টে মামলা শিবপুরে মৎসজীবী লীগের নেতাকর্মীদের ঈদ উপহার দিলেন মাহফুজুল হক টিপু শিবপুরে সাংবাদিকদের সম্মানে ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত শিবপুরে প্রধানমন্ত্রীর ঈদ উপহার হিসেবে ঘর পেয়ে আনন্দিত ৪২ পরিবার
ঢাকা সিলেট মহাসড়কের সম্পত্তি মাটি বড়াট করে দখলের চেষ্টা ,কে এই সুরুজ,

ঢাকা সিলেট মহাসড়কের সম্পত্তি মাটি বড়াট করে দখলের চেষ্টা ,কে এই সুরুজ,

শিবপুর প্রতিনিধি/
শিবপুর উপজেলার ঢাকা সিলেট মহাসড়ক ইটাখোলা মুনসেফেরছর নামক স্থানে সড়ক ও জনপথ বিভাগের একোয়ার সম্পত্তির উপরে পাকা বিল্ডিং ,মাটি ভরাটসহ গড়ে উঠতেছে ব্যাঙের ছাতার মতো নতুন নতুন স্থাপনা। যেন দেখার কেউ নেই।
সরজমিনে গিয়ে জানা যায় ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক ইটাখোলা মুনসেফেরচর নামক স্হানে সড়ক ও জনপদের একোয়ারকৃত ২৮ শতাংশ জমির উপর ভূমিদস্যু জয়নাল গং এর মার্কেট নির্মাণ। একোয়ার কৃত ২৮ শতাংশ জমি জয়নালের কাছ থেকে শিবপুর উপজেলার সৈয়দরখোলা গ্রামের সুরুজ মিয়ার নিকট থেকে ১০ লক্ষ টাকা সিকিউরিটি মাসিক ৫০ হাজার টাকায় ভাড়া বাবদ হাতিয়ে নিচ্ছেন ভূমিদস্যু জয়নাল।

এদিকে আবারো গত ৭ জুলাই দিবাগত রাত লোক সমাগমের অজান্তে জয়নালের ভাড়াটিয়া সুরুজ মিয়া তার ব্যবসার সুবিধার্থে মার্কেটের সামনের সড়ক ও জনপদের ৪ শতাংশ জমির মাটি দিয়ে ভরাট করে নিচ্ছেন এমন অভিযোগ পাওয়া গিয়েছে। এ ব্যাপারে পাঁচ-ছয় মাস পূর্বে জয়নাল ও তার বাড়াটিয়া সুরুজ মিয়া মহাসড়কের পাশের গর্ত হীন জমি ভরাট করছেন মর্মে বিভিন্ন পত্র পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশ হয়েছে। তবু ক্ষান্ত হয়নি সুরোজ গং। এলাকাবাসী জানায জয়নাল গংয়েরা গভীর রাতে টাকা দিয়ে ওই গর্ত জমি ভরাট করছেন।
এদিকে একই স্থানে আরেক ভূমিদস্যু মহাসড়কের রেশ ধরে পাকা বিল্ডিং নির্মাণ করেছেন, যেন দেখার কেউ নেই।

সড়ক ও জনপদ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী জানা যায় ১৯৬৫ ইং সালে ২৮ শতাংশ জমি একোয়ার হয় সড়ক ও জনপথ বিভাগ অধিদপ্তরের নামে । পরবর্তীতে ২০১৫ ইং সালে উক্ত জমির পূর্বের বিক্রেতাগণের লোকেরা বিজ্ঞ আদালতে একটি মিথ্যা মামলা করেন। পরে মহামান্য আদালত সড়ক ও জনপথ বিভাগের সকল কাগজপত্র দেখে শুনে প্রথমবার রায় প্রদান করেন। পরবর্তীতে আবারও ওয়ারিশগণ আদালতে পুনরায় আপেল করেন।

একই ভাবে দ্বিতীয়বারও সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর এর পক্ষে আদালত রায় প্রদান করেন। তবুও ক্ষান্ত হয়নি জয়নাল গং এর লোকেরা ,সড়ক ও জনপথ বিভাগ অধিদপ্তর কয়েকদফা উক্ত জমি থেকে অবৈধ স্থাপনা অন্যত্র সরিয়ে নেওয়ার জন্য নোটিশ প্রদান করেন । তারা কোন তোয়াক্কা না করেই ওয়াকসপ কারখানা তৈরি করে হাতিয়ে নিচ্ছেন লক্ষ লক্ষ টাকা। গণমাধ্যমকর্মীরা সরেজমিনে গেলে একই এলাকার হাজী মোশারফ হোসেন,

জয়নালের চাচাতো ভাইয়ের বউ মোছাম্মদ হাসিনা বেগম, মোঃ লাল মিয়া, ও জয়নালের চাচাতো বোন মাজেদা বেগম বলেন।আমরা ছোট থেকেই শুনে আসছি সোবেদ আলী গং দের কাছ থেকে তাদের পাওনা অর্থ বুঝিয়ে সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের অধীনে নিয়ে যায়। এখন মৃত সোবেদ আলীর ছেলে জয়নাল ও নাতি বিল্লালসহ ওই ২৮ শতাংশ সম্পদের উপর পাকা মার্কেট নির্মাণ করেছেন। জয়নালের দাবি তাদের অবশিষ্ট ৬ শতাংশ জমি রয়েছে । আসলে তাদের ৩২ শতাংশ একোয়ার করেছে ২৮ শতাংশ ৩ শতাংশ জমি বিক্রি করেছে বাকি ১ শতাংশ জমি হাতে আছে। এখন সরকার ই ভালো জানেন এ সম্পদ কার । সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর এর কর্মকর্তা বলেন ১৯৬৫ ইং সালে জমির মালিকগনে জমির সকল কাগজপত্র দিয়ে জমির ক্ষতিপূরণের টাকা বুঝে নিয়েছেন ।

এ ব্যাপারে এলাকার অনেকেই অবগত আছেন । মৃত ছোবেদ আলীর ছেলে জয়নাল আদালতে একটি মামলা করেছিল।পরে আদালত সড়ক ও জনপথ বিভাগ কে রায় প্রদান করেছেন, বর্তমানে উক্ত জমির উপরে তারা বিল্ডিং স্থাপনা করে ব্যবসা করছেন । এরই সূত্র ধরে জমির ওয়ারিশগণ আদালতে রেকর্ড সংশোধনী মামলা করেন, আমাদের রেকর্ড অনুযায়ী ভূমি অধিগ্রহণ কর্মকর্তা অফিসের এল এ কেস নং ২১/৬-৪-৬৫ ইং মৌজা মুনসেফেরচর, দাগ নং ৫৮২
উক্ত দাগ হইতে তৎকালীন সরকার বাহাদুর কতটুকু ভূমি হুকুম দখল করে আছেন কার কার নামে রেকর্ড হয়ে আছে এবং কে কে কতটুকু ভুমি হুকুম দখল করিয়া আছেন, কার কার নামে এ রেকর্ড হইয়াছে এবং কে কে কতটুকু ভূমির ক্ষতিপূরণের টাকা গ্রহণ করিয়াছেন, তার বিস্তারিত বিবরণ জানতে আদালতে দাখিল করেছেন ।পরবর্তীতে বিজ্ঞ আদালত দুই দফা রায় প্রদান করেন নির্বাহী প্রকৌশলী সড়ক ও জনপথ বিভাগ বাসাইল অধিদপ্তরকে ।

উক্ত জমি থেকে স্থাপনা উচ্ছেদ করার জন্য চিঠি প্রধান করেছি।আমাদের হাতে সমস্ত কাগজপত্র এলে আমরা মহাসড়কের পাশে অবৈধ সম্পদের স্থাপনা উচ্ছেদ করার প্রস্তুতি চলছে ।

এলাকাবাসী জানায় জয়নাল আবেদীন সরকারকে বৃদ্ধাঙ্গুল দেখিয়ে পেশিশক্তি খাটিয়ে সরকারি সম্পদ দখল করে রেখেছে। জনমনে প্রশ্ন কার ছত্রছায়ায় উক্ত জমিতে বিশাল আকারে পাকা বিল্ডিং স্থাপন করে মার্কেটে পরিণত করেছেন, এলাকাবাসী গণমাধ্যমকর্মীদের আরো জানান উক্ত ওয়াকসপ টি ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের পাশে
থাকায় এখানে প্রতিনিয়ত এক্সিডেন্ট হয়, এবং বড় ধরনের জ্যাম লেগে থাকে, আমরা দেখছি উক্ত ওয়াকসপের কারণে রাস্তায় বিশালাকারের জ্যাম লেগে থাকে এদিকে ২০২১ সালের প্রথম দিনে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে রোড এক্সিডেন্টে প্রাণ হারালো আপন তিন বোন সহ চার জন। এই স্থানে যে কোন সময় হতে পারে বড় ধরনের দুর্ঘটনা। আমরা চাই অতি দ্রুত ওয়াকসপ কারখানাটি এখান থেকে সরিয়ে অন্যত্র নিয়ে যাক এবং সড়ক জনপথ অধিদপ্তরসহ প্রশাসনের সু-দৃষ্টি কামনা করছেন ।

সামাজিক যোগাযোগ এ শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published.

© সকল স্বত্ব www.muktasangbad.com অনলাইন ভার্শন কর্তৃক সংরক্ষিত