ব্রেকিং নিউজ ::
শিবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ফল বিতরণ করলেন কৃষিবিদ আ.ফ.ম মাহবুবুল হাসান প্রকাশ্যে এলো শাকিব-বুবলীর সন্তান শেহজাদ খান বীর শিক্ষা ক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের জন্য সম্মাননা অ্যাওয়ার্ড পেলেন মাহফুজুল হক টিপু শিবপুরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জন্মদিন পালন শিবপুরে পুকুর থেকে অজ্ঞাত যুবকের অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার শিবপুরে সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান সালাউদ্দিন খান অরুনের ৪র্থ মৃত্যুবার্ষিকী পালন শিবপুরে স্বেচ্ছাসেবক লীগের সদস্য সংগ্রহ ও বর্ধিত সভা শিবপুরে  সামাজিক সম্প্রীতি সমাবেশ অনুষ্ঠিত  অন্তঃসত্ত্বা নারীর লাশ উদ্ধার করেছে শিবপুর মডেল থানা পুলিশ নরসিংদী জেলা আওয়ামীলীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলন সম্পন্ন সভাপতি জিএম তালেব সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আলী
ডা. নাজনীন হত্যা: ভাগ্নের মৃত্যুদণ্ড আপিলেও বহাল

ডা. নাজনীন হত্যা: ভাগ্নের মৃত্যুদণ্ড আপিলেও বহাল

 

রাজধানীর সেন্ট্রাল রোডে ১৬ বছর আগে চিকিৎসক নাজনীন আক্তার ও তার গৃহকর্মীকে হত্যার ঘটনায় আসামি আমিনুল ইসলামের মৃত্যুদণ্ড বহাল রেখেছেন আপিল বিভাগ।মৃত্যুদণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আসামির জেল আপিল খারিজ করে সোমবার প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বে ছয় বিচারকের ভার্চুয়াল আপিল বেঞ্চ এ রায় দেয়।

আসামিপক্ষে শুনানি করেন রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী এবিএম বায়েজীদ। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল বিশ্বজিৎ দেবনাথ।

মামলার বিবরণে বলা হয়, ল্যাব এইডের চিকিৎসক নাজনীন আক্তারের স্বামী আসারুজ্জামানের বড় বোনের ছেলে আমিনুল ইসলামকে লেখাপড়া করানোর জন্য ঢাকায় নিয়ে এসেছিল ওই পরিবার। তাকে ভর্তি করা হয়েছিল মোহাম্মদপুর কেন্দ্রীয় কলেজে।

২০০৫ সালের ৭ মার্চ হাসপাতাল থেকে বাসায় ফেরার পর নাজনীনকে কুপিয়ে হত্যা করেন ভাগ্নে আমিনুল। গৃহকর্মী পারভীন আক্তার পারুল তা দেখে ফেললে তাকেও কুপিয়ে হত্যা করা হয়। এরপর বগুড়ায় চলে যান আমিনুল। সেখান থেকে ফরিদপুরে গিয়ে শরিফুল ইসলাম নাম নিয়ে রোজ ৫০ টাকা পারিশ্রমিকে এক বাড়িতে কাজ নেন।

এভাবে আত্মগোপনে থাকার সময় ডিবি পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে। পরে হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে আমিনুল আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন।

ওই ঘটনায় ধানমন্ডি থানায় করা হত্যা মামলায় ২০০৮ সালের ২৯ মে ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-৪ আমিনুলকে মৃত্যুদণ্ড দেয়।নিয়ম অনুযায়ী এ মৃত্যুদণ্ডদেশ অনুমোদনের আবেদন হাই কোর্টে পাঠানো হয়। আর এদিকে রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করেন আমিনুল।

আপিল এবং ডেথ রেফারেন্সের শুনানির পর আমিনুলকে দেওয়া বিচারিক আদালতের মৃত্যুদণ্ডাদেশ বহাল রাখেন হাই কোর্ট। ২০১৩ সালের ১০ অক্টোবর সেই রায় হয়।

এরপর হাই কোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে জেল আপিল করে আমিনুল। শুনানি শেষে সোমবার আপিলটি খারিজ করে দিয়ে মৃত্যুদণ্ডাদেশই বহাল রাখল সর্বোচ্চ আদালত।

সামাজিক যোগাযোগ এ শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published.

© সকল স্বত্ব www.muktasangbad.com অনলাইন ভার্শন কর্তৃক সংরক্ষিত