ব্রেকিং নিউজ ::
রাতের আঁধারে কম্বলের ফেরিওয়ালা শিবপুরের শামীম গফুর নরসিংদী জেলা ছাত্রদলের নবগঠিত কমিটিকে শুভেচ্ছা জানিয়ে শিবপুরে আনন্দ মিছিল পুটিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সংবর্ধণা প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত জনপ্রিয়তা অর্জন করতে নয় জনগণের সেবা করতেই শামীম গফুরের ব্যতিক্রমী উদ্যোগ শিবপুর পৌরসভায় মানবিক কার্যক্রমে অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করে চলেছেন শামীম গফুর শিবপুরে মৎস্যজীবী লীগের পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত শিবপুরে বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস পালিত শিবপুরে গ্রামবাংলার ঐতিহ্যবাহী কাছিটান খেলা অনুষ্ঠিত শিবপুরে শ্রমিক লীগ নেতার স্মরণে দোয়া মাহফিল জনপ্রিয়তায় ঈর্শ্বানিত হয়ে হত্যা মামলায় ফাসিয়ে দিল ইউপি সদস্যকে
কপিরাইট আইনের চারটি ধারা সংশোধন চেয়ে নায়ক মান্নার স্ত্রীর রিট

কপিরাইট আইনের চারটি ধারা সংশোধন চেয়ে নায়ক মান্নার স্ত্রীর রিট

 

 

প্রয়াত চিত্রনায়ক এসএম আসলাম তালুকদার মান্না ও তাঁর স্ত্রী শেলী কাদের, কপিরাইট আইনের কয়েকটি ধারা পারস্পরিক সাংঘর্ষিক দাবি করে চারটি ধারা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট করেছেন প্রয়াত চিত্রনায়ক এসএম আসলাম তালুকদার মান্নার স্ত্রী শেলী কাদের। আজ মঙ্গলবার বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিমের নেতৃত্বাধীন হাইকোর্ট বেঞ্চে প্রয়াত নায়ক মান্নার স্ত্রীর পক্ষে আইনজীবী নাজিরুল আলম ও ইফতাবুল কামাল অয়ন এ রিট দায়ের করেন।

রিটে শেলী কাদের দাবি করেন, কপিরাইট আইনের রিটে কপিরাইট আইন-২০০০ (সংশোধনী ২০০৫) এর ২৪, ২৫, ২৬ ও ২৭ ধারা অনুযায়ী যে বছর কর্মটি প্রকাশিত হয়েছে তার পরবর্তী পঞ্জিকা-বর্ষের শুরু থেকে ষাট বছর পর্যন্ত কপিরাইট বিদ্যমান থাকবে। অথচ একই আইনের অন্য আইনে বলা হয়েছে, যার দ্বারা প্রডিউসার ও ক্রিয়েটরদের মধ্য এমন কোনো চুক্তি হবে না যা কারও জন্য কঠিন হয়ে যায়। তাই এ পারস্পরিক সাংঘর্ষিক আইনের কারণে আর্থিকভাবে বঞ্চিত হচ্ছি।রিট আবেদনে আইন মন্ত্রণালয় ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে বিবাদী করা হয়েছে। আজ মঙ্গলবার গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন মান্নার স্ত্রীর আইনজীবী ব্যারিস্টার ইফতাবুল কামাল অয়ন ও নাজিরুল আলম। তাঁরা বলেন, কপিরাইট আইনের চারটি ধারার কারণে নায়ক মান্না প্রযোজিত আটটি সিনেমা থেকে তাঁর পরিবার আর্থিক সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। তাই এ চারটি ধারা চ্যালেঞ্জ করে রিট করা হয়েছে।

আইনজীবীরা জানান, কপিরাইট আইনের ওই চারটি ধারা অনুসারে কোনো প্রডিউসারকে কপিরাইটের লাইসেন্স দেওয়া হলে তা অনেকেই পূর্ণ মেয়াদের জন্য নিয়ে থাকেন। পূর্ণ মেয়াদের সীমা ৬০ বছর পর্যন্ত হয়। অথচ একই আইনে অন্যরকম বিধান রেখে বলা হয়েছে, যার দ্বারা প্রডিউসার ও ক্রিয়েটরদের মধ্য এমন কোনো চুক্তি হবে না যা কারও জন্য কঠিন হয়ে যায়। তাই আইনের বিপরীতধর্মী ধারার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করা হয়েছে। একইসঙ্গে এসব কাজের কপিরাইট অধিকার যেন উত্তরাধিকার সূত্রে পরিবারের সদস্যদের কাছে হস্তান্তরিত হয়, রিটে সে বিষয়েও নির্দেশনা চাওয়া হয়েছে। এমনকি ভারতেও এ ধরনের আইন করা হয়েছে।

সামাজিক যোগাযোগ এ শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published.

© সকল স্বত্ব www.muktasangbad.com অনলাইন ভার্শন কর্তৃক সংরক্ষিত