ব্রেকিং নিউজ ::
শিবপুরের সাধারচরে বিভিন্ন পূজা মন্ডপ পরিদর্শন ও নগদ অর্থ প্রদান করলেন জাহিদুল হক দিপু জেলা ছাত্রলীগের সভাপতির নির্দেশে পূজা মন্ডপে পাহারায় থাকবে শিবপুর উপজেলা ছাত্রলীগ শিবপুরে প্রতিবন্ধীদের মাঝে হুইল চেয়ার বিতরণ করলেন কৃষিবিদ মাহবুবুল হাসান শিবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ফল বিতরণ করলেন কৃষিবিদ আ.ফ.ম মাহবুবুল হাসান প্রকাশ্যে এলো শাকিব-বুবলীর সন্তান শেহজাদ খান বীর শিক্ষা ক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের জন্য সম্মাননা অ্যাওয়ার্ড পেলেন মাহফুজুল হক টিপু শিবপুরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জন্মদিন পালন শিবপুরে পুকুর থেকে অজ্ঞাত যুবকের অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার শিবপুরে সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান সালাউদ্দিন খান অরুনের ৪র্থ মৃত্যুবার্ষিকী পালন শিবপুরে স্বেচ্ছাসেবক লীগের সদস্য সংগ্রহ ও বর্ধিত সভা
অর্ধেক দামে কেনাবেচা হচ্ছে কোরবানির চামড়া

অর্ধেক দামে কেনাবেচা হচ্ছে কোরবানির চামড়া

 

পর্যাপ্ত ক্রেতা না থাকায় রাজধানীজুড়ে সরকার নির্ধারিত দামের চেয়ে অর্ধেক দামে কেনা হচ্ছে কোরবানির পশুর চামড়া। এ বছর কোরবানির ঈদের আগে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় চামড়ার দর নির্ধারণ করে জানিয়েছে, ট্যানারিগুলো এবার ঢাকার লবণযুক্ত প্রতি বর্গফুট গরু বা মহিষের চামড়া কিনবে ৪০ থেকে ৪৫ টাকায়।

তবে রাজধানীর মিরপুরের উত্তর টোলারবাগ,কাজীপাড়া, ৬০ ফুট রোড, মিরপুর-১, কাজীপাড়া ও পরে খিলগাঁও, বাসাবো, আরামবাগ এলাকাগুলো ঘুরে দেখা গেছে, প্রতি বর্গফুট চামড়া বিক্রি হচ্ছে ২০ থেকে ২৫ টাকায়।

প্রতিটি বড় গরু থেকে সর্বোচ্চ ৪৫ বর্গফুট চামড়া পাওয়া যায়, ছোট গরুতে পাওয়া যায় ২০ বর্গফুট। সর্বনিম্ন ৪০ টাকা দর হিসাব করলে বড় গরুতে ১ হাজার ৮০০ টাকা ও ছোট গরুতে ৮০০ টাকা পাওয়ার কথা বিক্রেতার।

কিন্তু ছোট-বড় সব গরু মিলিয়ে রাজধানীর চামড়া বিক্রেতারা ২৫০ থেকে ৫০০ টাকার মধ্যেই চামড়া বিক্রি করে দিচ্ছেন।

এর কারণ হিসেবে রাজধানীর উত্তর টোলারবাগের বাসিন্দা হেমায়েত উদ্দিন সমকালকে বলেন, ‘সারা দিন বসে ছিলাম। একজন ক্রেতাও আসে নাই। পরে এলাকাবাসী সিদ্ধান্ত নিলাম কোরবানির পশুর চামড়া আমরা স্থানীয় মাদ্রাসাতে দিয়ে দিব। যদি চামড়া নিয়ে আরও কিছুক্ষণ বসে থাকতাম, তাহলে চামড়া নষ্ট হয়ে যেত। ওই চামড়ার আর কোনো দামই পাওয়া যেত না।’

মিরপুর-১ আহম্মদনগরের দাউদ খান মসজিদ কমিটির সদস্য দেলোয়ার হোসেন বলেন, আমরা একেকটি গরুর চামড়া ২৫০ টাকা থেকে ৪০০ টাকা পর্যন্ত দামে কিনেছি। পরে সেগুলো ৫০০ টাকা দামে ছেড়ে দিচ্ছি। কোরবানি হয়ে গেছে সকাল ৮-৯টার দিকে। এরপর প্রায় ৬-৭ ঘণ্টা চলে যাচ্ছে। এখন যদি লবণ দিয়ে কোরবানির চামড়া সংরক্ষণ করা না যায়, তাহলে চামড়া খুব দ্রুত নষ্ট হয়ে যাবে।’

বাণিজ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ঢাকার বাইরে লবণযুক্ত প্রতি বর্গফুট গরু বা মহিষের চামড়ার দাম হবে ৩৩ টাকা থেকে ৩৭ টাকা। এছাড়া সারাদেশে লবণযুক্ত খাসির চামড়া প্রতি বর্গফুট ১৫ থেকে ১৭ টাকা, আর বকরির চামড়া প্রতি বর্গফুট ১২ থেকে ১৪ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

কোরবানির ঈদের আগে ক্ষুদ্র চামড়া ব্যবসায়ীরা সমকালকে বলেছেন, এবার চামড়া বেশি দামে বিক্রি হবে বলে আশা করছেন তারা। এ হিসাবে প্রতিটি গরু ও মহিষের ২০ থেকে ৩০ বর্গফুট চামড়ায় ৫ থেকে ৬ কেজি লবণ দিতে ৬০ থেকে ৭০ টাকা খরচ হওয়ার কথা।

ঢাকার চামড়া বড় বেশিরভাগই ৩০ বর্গফুট হয়। এ চামড়া ট্যানারি কিনবে ১৩৫০ টাকায়। লবণের দাম, শ্রমিকের মজুরি, পরিবহন খরচসহ মোট ১০০ থেকে দেড়শ টাকা খরচ হবে তাদের। এসব খরচ বাদ দিয়ে ১ হাজার টাকায় চামড়া বিক্রির কথা থাকলেও বাস্তবে মাত্র ৫০০ টাকায় তা বিক্রি হচ্ছে।

ঢাকার বাইরে থেকে বেশিরভাগই ছোট চামড়া আসে। ২০ বর্গফুট চামড়া লবণসহ ট্যানারি কিনবে ৮০০ টাকায়। এর থেকে ৩০০ টাকা মুনাফা ও ব্যয় ধরলেও ছোট চামড়া ৫০০ টাকায় বিক্রি হওয়ার কথা।

কিন্তু বুধবার রাজধানীতে পশুর চামড়া বিক্রির চিত্র বলছে ভিন্ন কথা।

ক্ষুদ্র চামড়া ব্যবসায়ীরা বলছেন, বিক্রেতারা কাঙ্ক্ষিত দাম না পেলে চামড়া ছাড়তে নারাজ হলে ওই চামড়া নষ্ট হবে। যত দ্রুত সম্ভব চামড়া সংরক্ষণ করা না হলে এবার চামড়া খাতে বড় অঙ্কের ক্ষতির আশঙ্কাও করছেন তারা।

 

সামাজিক যোগাযোগ এ শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published.

© সকল স্বত্ব www.muktasangbad.com অনলাইন ভার্শন কর্তৃক সংরক্ষিত